
ত্রাণের ত্রিপল আর গুপ্তধনের মামলায় চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ দু'জনের গ্রেফতার, বিষয়টি দেখা কোনো স্থানীয় বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

কাকা-ভাইপো গ্রেফতার ত্রিপল-টাকার কেলেঙ্কারিতে ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে ত্রাণ ত্রিপল ও কোটি টাকা লুকানোর মামলা তৈরি হয়েছে। চেয়ারম্যানকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল, এবার তার হিসাবরক্ষক শামীম গাজী ও তার কাকা রফিকুল গাজীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, তারা চেয়ারম্যানের অবৈধ আর্থিক লেনদেন ও তোলাবাজির কাজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করত।
গত বুধবার চেয়ারম্যানের পার্টি অফিস ও বাগানবাড়ি থেকে হাজার হাজার ত্রিপল উদ্ধার করা হয়। পরে পাশের জমি খুঁড়ে বস্তা ও ট্রলি ব্যাগে ভর্তি নগদ ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ও সোনা পাওয়া যায়। এই অপরাধের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকার অভিযোগে শামীম ও রফিকুলকে গ্রেফতার করা হয়।
দীপঙ্কর ভট্টাচার্য ২০১০ সালে কংগ্রেসের টিকিটে প্রথম চেয়ারম্যান হন, ২০১৩ সালে তৃণমূলে যোগ দেন। ২০১৮ সালে পুনরায় চেয়ারম্যান হন এবং এখন পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। তার আগের চালক ও গাড়িব্যবসার পেশা থেকে রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ আদালতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করবে।
তথ্য
- ২০২৬ এর ২৮ মে, বাদুড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের হিসাবরক্ষক শামীম গাজী ও তার কাকা রফিকুল গাজীকে গ্রেফতার করা হয়।
- চেয়ারম্যানের বাগানবাড়ি থেকে হাজার হাজার সরকারি ত্রিপল এবং মাটি খুঁড়ে ২ কোটি ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা ও সোনা উদ্ধার করে পুলিশ।
- শামীম গাজী চেয়ারম্যানের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের হিসাব রাখতেন এবং রফিকুল গাজী তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।
- দীপঙ্কর ভট্টাচার্য ২০১০ সালে কংগ্রেসের টিকিটে প্রথম চেয়ারম্যান হন, ২০১৩ সালে তৃণমূলে যোগ দেন এবং ২০১৮ সালে পুনরায় দায়িত্ব পান।
- পুলিশ আদালতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করবে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





