
জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষণা ও উদ্ভাবনের ভূমিকা স্পষ্ট হচ্ছে, বিষয়টি দেখা কোনো বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণায় অগ্রাধিকার ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন, প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান সামান্য হলেও দেশটি জলবায়ুঝুঁকির মুখোমুখি, বিশেষ করে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, খরা ও বন্যার মতো ঘটনায়। ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
সরকার জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সমন্বিত নীতিকাঠামো অনুসরণ করছে। উপকূলীয় সুরক্ষা, সামাজিক বনায়ন, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের কর্মসূচি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সবুজ শিল্পায়ন, পরিবেশবান্ধব নগরায়ণ এবং কার্বন ক্রেডিটের সম্ভাবনা কাজে লাগানো হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সমন্বিত উদ্যোগ ও পরিবেশ সচেতনতার মাধ্যমে একটি জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গঠন সম্ভব।
তথ্য
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।
- ক্লাইমেট রিস্ক ইনডেক্স-২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশ উচ্চ জলবায়ুঝুঁকির মুখোমুখি।
- সরকার আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণ এবং ২০ হাজার কিমি খাল খননের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
- বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই সামান্য।
- সরকার জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (এনএপি) ও জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি) বাস্তবায়ন করছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





