
গবেষণার জন্য বাজেট কম থাকা সত্ত্বেও দেশের মেধাবী শিক্ষক-ছাত্রদের প্রচেষ্টা অব্যাহত, এমন প্রেক্ষাপট একজন শিক্ষার্থী বা শিক্ষকের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া উচিত।

গবেষণায় বাজেট মাত্র ১.৪৪% ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য বরাদ্দ মাত্র মোট বাজেটের ১.৪৪%, যা গত কয়েক বছরে প্রায় অপরিবর্তিত। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইউজিসির অনুমোদিত মোট বাজেট ছিল ১৩,২২২ কোটি টাকা, যার মধ্যে গবেষণায় বরাদ্দ ছিল ১৯০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বাধিক বাজেট পেলেও গবেষণায় তাদের বরাদ্দ ছিল মাত্র ২.০৮%।
dেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা বরাদ্দ সঠিকভাবে ব্যয় করা যাচ্ছে না। ২০২২-২৩ অর্থবছরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার বরাদ্দের মাত্র ১১.৬% ব্যয় হয়েছিল। চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০% বরাদ্দ অব্যয়িত ছিল। এমন ঘাটতি গবেষণার মান ও আন্তর্জাতিক র্যাংকিংয়ে প্রভাব ফেলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গবেষণায় কমপক্ষে ৫-১০% বাজেট প্রয়োজন। বর্তমান ব্যবস্থায় মেধাবী শিক্ষক-ছাত্ররা নিজেদের অর্থায়নে গবেষণা চালাচ্ছেন। গবেষণাবান্ধব পরিবেশ ও স্থায়ী তহবিল গঠনের দাবি উঠেছে। ইউজিসি চেয়ারম্যানের মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।
তথ্য
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট বাজেট ছিল ১৩,২২২ কোটি টাকা, যার মাত্র ১.৪৪% (১৯০ কোটি ৬৫ লাখ টাকা) গবেষণায় বরাদ্দ হয়েছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গবেষণায় পেয়েছে ২১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, যা তাদের মোট বাজেটের ২.০৮%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার বরাদ্দের মাত্র ১১.৬% ব্যয় হয়েছিল।
- বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কিউএস র্যাংকিংয়ে শীর্ষ ৫০০-এর মধ্যে স্থান পায়নি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫৮৫তম স্থানে।
- বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা পরিচালক ড. হাম্মাদুর রহমান বলেন, গবেষণার জন্য কমপক্ষে ৫-১০% বাজেট প্রয়োজন।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





