ভারতের একটি শহরের পটভূমিতে এআই প্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর চিপের প্রতীকী চিত্র, যেখানে একজন ব্যক্তি হাতে এআই মডেল ও চিপ নিয়ে ভাবনায় আছেন।
ভারতের একটি শহরের পটভূমিতে এআই প্রযুক্তি ও সেমিকন্ডাক্টর চিপের প্রতীকী চিত্র, যেখানে একজন ব্যক্তি হাতে এআই মডেল ও চিপ নিয়ে ভাবনায় আছেন।

ভারতের এআই প্রয়োগের এই পথ স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ক্ষেত্রে কাজ করে যাওয়া কোনো সহকর্মীর কাছে প্রাসঙ্গিক প্রেক্ষাপট হতে পারে।

ভারত এআই প্রয়োগে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যেতে পারে ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

ভারত বর্তমানে উন্নত চিপ উৎপাদন ও বৃহৎ ভাষা মডেল নিয়ে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মূল্য তৈরির এক অনন্য পথ বেছে নিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের নবনিযুক্ত সিইও নীলকান্ত মিশ্র মনে করেন, দেশটির সত্যিকারের সুযোগ মডেল তৈরি নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও ব্যাংকিংয়ের মতো ক্ষেত্রে এআই মোতায়েন করে বাস্তব সমস্যা সমাধানে। এই কৌশল ভারতকে বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতায় এক স্বতন্ত্র অবস্থানে নিয়ে যেতে পারে।

মিশ্র স্বীকার করেছেন যে ভারত এখনও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলির তুলনায় অনেক পিছিয়ে। বর্তমানে দেশটি 28 বা 40 ন্যানোমিটার প্রযুক্তিতে কাজ করলেও বিশ্ব তখন 1.8 ন্যানোমিটারে। তবুও ভারত সেমিকন্ডাক্টর মিশনের মাধ্যমে গত চার বছরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। প্যাকেজিং সুবিধা বিকাশ হয়েছে এবং আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রথম ওয়েফার উৎপাদন কারখানা স্থাপনের আশা রয়েছে। আসন্ন সেমিকন 2.0 প্রোগ্রামের মাধ্যমে দেশটি 7-থেকে 12-ন্যানোমিটার পরিসরে উৎপাদনের দিকে এগোবে।

তবে মিশ্র মনে করেন, ভারতের উদ্ভাবন বাস্তুতন্ত্র এখনও প্রয়োজনের তুলনায় ছোট। ভেঞ্চার ক্যাপিটালের সীমিত প্রাপ্যতার কারণে স্থানীয় এআই কোম্পানিগুলি কয়েকশ মিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহে লড়াই করে, অন্যদিকে বৈশ্বিক দলগুলি কয়েক বিলিয়ন ডলার আকর্ষণ করে। তিনি গভীর প্রযুক্তিগত গবেষণায় বৃহত্তর বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এআইয়ের মাধ্যমে বাস্তব সমস্যা সমাধানই ভারতের সবচেয়ে বড় সুযোগ।

তথ্য

  • বিশ্বব্যাংকের নবনিযুক্ত সিইও নীলকান্ত মিশ্র মনে করেন ভারত এআই প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থনৈতিক মূল্য তৈরি করতে পারে।
  • ভারত বর্তমানে 28 বা 40 ন্যানোমিটার চিপ প্রযুক্তিতে কাজ করছে, যেখানে বিশ্ব 1.8 ন্যানোমিটারে।
  • আগামী দুই বছরের মধ্যে ভারতের প্রথম ওয়েফার উৎপাদন কারখানা স্থাপিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
  • সেমিকন 2.0 প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভারত 2032 সালের মধ্যে 7-থেকে 12-ন্যানোমিটার চিপ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে।
  • মিশ্র মনে করেন ভারতের উদ্ভাবন বাস্তুতন্ত্র বর্তমানে প্রয়োজনের তুলনায় 100 গুণ ছোট।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি