পাটনার খান গ্লোবাল স্টাডিজ কোচিং সেন্টারের সামনে পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন, পটভূমিতে ভাঙা জানালা ও বিক্ষোভের চিহ্ন।
পাটনার খান গ্লোবাল স্টাডিজ কোচিং সেন্টারের সামনে পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন, পটভূমিতে ভাঙা জানালা ও বিক্ষোভের চিহ্ন।

প্রিন্স যাদবের মৃত্যু রহস্যজনক, বিষয়টি দেখা কোনো বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

খান স্যারের কোচিং সেন্টার হামলার নেতা নেপালে মৃত ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

বিহারের পাটনায় জনপ্রিয় কোচিং সেন্টার 'খান গ্লোবাল স্টাডিজ'-এর ওপর হামলার মূল অভিযুক্ত প্রিন্স যাদব নেপালের বিরাটনগরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে ২০২৬ সালের ৩ জুন, যখন তাঁকে একটি হোটেলের ঘরে মৃত দেখা যায়। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যদিও মাতাল অবস্থায় ছিলেন কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

প্রিন্স যাদব ও তাঁর ভাই রওশন আনন্দ 'জ্ঞান বিন্দু' নামে একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন। খান স্যারের সংস্থার সঙ্গে তাদের পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল বহুদিন ধরে। ২ জুন ২০২৬ খান গ্লোবাল স্টাডিজে বোমা হামলা ও ভাঙচুরের পর পুলিশ রওশনকে গ্রেপ্তার করে, আর প্রিন্স পলাতক হয়।

খান স্যার (ফয়সল খান) দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের জন্য সস্তায় কোচিং সেবা দেওয়ার কারণে জনপ্রিয় হয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানে ফি মাত্র ৭,৫০০ থেকে ১৫,০০০ টাকা, যেখানে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান লাখখানেক টাকা নেয়। এই জনপ্রিয়তা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হামলার পেছনের কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রিন্সের মৃত্যুতে ঘটনার তদন্ত আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

তথ্য

  • ২ জুন ২০২৬ খান গ্লোবাল স্টাডিজ কোচিং সেন্টারে বোমা হামলা ও ভাঙচুর হয়।
  • হামলার মূল অভিযুক্ত প্রিন্স যাদবকে ৩ জুন ২০২৬ নেপালের বিরাটনগরের একটি হোটেলে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
  • নেপাল পুলিশ প্রিন্সের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পায়, ময়নাতদন্ত চলছে।
  • প্রিন্স যাদব ও তাঁর ভাই রওশন আনন্দ 'জ্ঞান বিন্দু' কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন।
  • খান স্যারের কোচিং সেন্টারের ফি ৭,৫০০–১৫,০০০ টাকা, অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের তুলনায় অনেক কম।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি