
এআর, ভিআর ও রোবোটিক্সের মাধ্যমে শেখার এই প্রচেষ্টা, গ্রামের কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে শহরের বন্ধুর তুলনায় বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

ভাসমান শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তি ও পরিবেশের পাঠ ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশের নদীভাঙন ও হাওরাঞ্চলে শিক্ষার ঘাটতি পূরণে ব্র্যাক চালু করেছে ভাসমান শ্রেণিকক্ষ, যা ‘অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিখন তরী’ নামে পরিচিত। ২০১১ সালে প্রথম এমন তরী চালু হওয়ার পর এখন মোট ছয়টি তরী রয়েছে, যার মধ্যে নতুন তিনটি পরিবেশ, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং ইতিহাস ভিত্তিক বিশেষায়িত শিক্ষার জন্য তৈরি। এগুলো প্রাথমিক স্তরের শিশুদের কেন্দ্র করে তৈরি হলেও সব বয়সের দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত।
পরিবেশ তরীতে জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য এবং টেকসই জীবনধারা নিয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ডিজিটাল তরীতে রয়েছে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর), রোবোটিকস এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ ডিজিটাল শিক্ষার সরঞ্জাম। ইতিহাস তরীতে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন, গল্পভিত্তিক প্রদর্শনী এবং মানচিত্রভিত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাস শেখানো হয়। প্রতিটি তরী ৭ থেকে ১০ দিন একটি এলাকায় থাকে এবং প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য র্যাম্প সুবিধাও রয়েছে।
এ পর্যন্ত ভোলা থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত ১৬ জেলার ৭৭টি স্থানে এসব তরী গেছে। প্রায় ৮০,০০০ শিক্ষার্থী এতে অংশ নিয়েছে এবং ৪৬২ জন নারী স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেছেন, মুখস্থ শিক্ষা পরীক্ষায় সাহায্য করলেও বাস্তব সমস্যা সমাধানে অক্ষম করে তোলে। তাই হাতে-কলমে শেখার মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দক্ষতা গড়ে তোলা হচ্ছে।
তথ্য
- ব্র্যাকের নতুন তিনটি ভাসমান শ্রেণিকক্ষ পরিবেশ, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও ইতিহাস ভিত্তিক শিক্ষা নিয়ে তৈরি, মোট তরীর সংখ্যা এখন ছয়।
- ডিজিটাল তরীতে অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর), রোবোটিকস ও ইন্টারঅ্যাকটিভ শিক্ষা রয়েছে।
- ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১৬ জেলার ৭৭টি স্থানে তরী গেছে, প্রায় ৮০,০০০ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে।
- প্রতিটি তরী ৭-১০ দিন একটি এলাকায় থাকে এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য র্যাম্প সুবিধা রয়েছে।
- ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেছেন, হাতে-কলমে শেখা ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার দক্ষতা গড়ে তোলে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





