
হ্যানয়ের ঐতিহ্য এখন ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বাঁচছে, একটি আধুনিক সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা যে কোনো সংস্কৃতি-আগ্রহী বন্ধুর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার মতো।

প্রযুক্তি দিয়ে রাজধানীর সংস্কৃতি পুনর্জাগরণ ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
হ্যানয় তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনর্জাগরিত করছে। 2026 সালের ফেব্রুয়ারিতে হ্যানয় জাদুঘর পুনরায় চালু হয় ডিজিটাল অভিজ্ঞতা জোন, থ্রিডি চলচ্চিত্র এবং ইন্টারেক্টিভ স্ক্রিনসহ। এর পাশাপাশি থাং লং রাজকীয় দুর্গে 3D পারফরম্যান্স এবং ভ্যান মিউ-কুওক তু গিয়ামে নৈশ ভ্রমণের মতো উদ্ভাবন চালু হয়েছে।
এই পরিবর্তন শুধু পর্যটন নয়, সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের কৌশলও বদলে দিচ্ছে। প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রত্নতত্ত্ব, ঐতিহাসিক নথি এবং স্থাপত্য ডিজিটাইজ করা হচ্ছে, যা বৈজ্ঞানিক সংরক্ষণ এবং জনসাধারণের প্রবেশাধিকার উভয়ই সহজ করছে। হ্যানয় ডিজিটাল খাদ্য ও পর্যটন মানচিত্র এবং Zalo-এর সাথে সহযোগিতার মাধ্যমে পর্যটকদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করছে।
২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে হ্যানয়ে ১.২১ কোটি পর্যটক এসেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ২০.৯% বেশি। লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে সাংস্কৃতিক শিল্প থেকে জিডিপির ৮% এবং ২০৪৫ সালে ১০% আয়। এই কৌশল হ্যানয়কে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি প্রভাবশালী সৃজনশীল শহর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।
তথ্য
- ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি হ্যানয় জাদুঘর ডিজিটাল অভিজ্ঞতা জোনসহ পুনরায় চালু হয়।
- ভ্যান মিউ-কুওক তু গিয়ামে 3D ম্যাপিং এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ভিত্তিক নৈশ ভ্রমণ চালু হয়েছে।
- ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে হ্যানয়ে ১.২১ কোটি পর্যটক এসেছে, যা আগের বছরের চেয়ে ২০.৯% বেশি।
- হ্যানয় লক্ষ্য রেখেছে ২০৩০ সালের মধ্যে সাংস্কৃতিক শিল্প থেকে জিডিপির ৮% আয়।
- হ্যানয় সিটি পার্টি কমিটি সচিব ত্রান দুক থাং সাংস্কৃতিক ডিজিটাল রূপান্তরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





