
এই অভিযোগের মাধ্যমে বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অনিয়মের প্রকৃত প্রেক্ষাপট স্পষ্ট হচ্ছে, বিষয়টি দেখা কোনো বন্ধু বা সহকর্মীর সঙ্গে বোঝার মতো প্রেক্ষাপট।

সনি র্যাংগসের বিরুদ্ধে ২০ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স প্রতিষ্ঠান সনি র্যাংগসের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ তুলেছে। এই তদন্তের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ তিন শীর্ষ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা সিঙ্গাপুরে দুটি শেল কোম্পানি খুলে গত কয়েক বছরে এই অর্থ পাচার করেছেন।
dudc-এর প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি বছরের পর বছর ধরে আন্ডার-ইনভয়েসিং ও ওভার-ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট ও কর ফাঁকি দিয়েছে। এছাড়া তারা দেশীয় ব্র্যান্ড ‘ওয়ালটন’-এর কারখানায় উৎপাদিত ফ্রিজ ও এসি কিনে সেগুলোতে বিদেশি ব্র্যান্ডের লেবেল লাগিয়ে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে আসছিল, যা গ্রাহকদের সাথে সরাসরি প্রতারণা।
dudc বর্তমানে অভিযুক্তদের দেশে ও বিদেশে থাকা সম্পদ খতান করছে। আদালতের নির্দেশে সকল ইমিগ্রেশন পয়েন্টে তাদের পাসপোর্ট ব্লক করা হয়েছে যাতে তারা দেশ ছাড়তে না পারে। এই মামলা বাংলাদেশের ব্যবসায়িক খাতে আর্থিক অনিয়ম ও প্রতারণার গভীরতা তুলে ধরছে।
তথ্য
- দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সনি র্যাংগসের বিরুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ তুলেছে।
- ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ ১৬ ফেব্রুয়ারি সনি র্যাংগসের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন।
- অভিযুক্তরা সিঙ্গাপুরে ট্রাস্ট মোটো ও মেটলোক নামে দুটি শেল কোম্পানি খুলে অর্থ পাচার করেছেন বলে দুদকের অভিযোগ।
- দুদকের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি বিগত ৩৫ বছরে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ভ্যাট ও ট্যাক্স ফাঁকি দিয়েছে।
- সনি র্যাংগস দেশি পণ্যে বিদেশি লেবেল লাগিয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করে আসছিল বলে অভিযোগ।
- অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা হলেন—একরাম হোসেন (এমডি), বিনাস হোসেন (ডিএমডি), ও সাচিমি ওগাওয়াড়া হোসেন (পরিচালক)।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি
