
ইরানের সামরিক ক্ষমতা হ্রাসের দাবি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের, কিন্তু হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ — এই প্রেক্ষাপট একজন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অনুসরণকারী বন্ধুর সঙ্গে বোঝার মতো।

ইরানে হামলা বন্ধ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ঘোষণা করেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে চলা 'অপারেশন এপিক ফিউরি' এখন শেষ হয়ে গেছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, ড্রোন মজুদ এবং নৌবাহিনী সম্পূর্ণরূপে অকার্যকর করে দিয়েছে। এই অভিযান ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে।
tবুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় একজন নিহত ও ৬৩ জন আহত হন, যা অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। একই রাতে বাহরাইনেও ড্রোন হামলা হয়, যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা রুবিওর দাবিকে নাকচ করে বলেছেন যে সংঘাত এখনও চলছে এবং মার্কিন সেনারা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে ইরানের কাছে উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ হস্তান্তর, পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিতকরণ এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার দাবি জানিয়েছে। ইরান পালটা দাবি করেছে তাদের ১,২০০ কোটি ডলার জব্দ সম্পদ মুক্তির আগে কোনো আলোচনায় বসবে না। এখনও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।
তথ্য
- মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ৩ জুন ২০২৬ ঘোষণা করেন যে ইরানের বিরুদ্ধে 'অপারেশন এপিক ফিউরি' শেষ হয়েছে।
- অপারেশনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হয়।
- ৩ জুন ২০২৬ কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় ১ জন নিহত ও ৬৩ জন আহত হন।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ হস্তান্তর ও হরমুজ প্রণালী খোলার শর্ত জানিয়েছে।
- ইরান তাদের ১,২০০ কোটি ডলার জব্দ সম্পদ মুক্তির আগে কোনো শান্তি আলোচনায় বসবে না বলে জানিয়েছে।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





