
এল নিনো শুধু আবহাওয়া নয়, স্বাস্থ্য পরিস্থিতিও প্রভাবিত করতে পারে, এ বিষয়ে খেয়াল রাখা একজন সচেতন বন্ধুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট।

এল নিনো ফিরছে, তাপ ও রোগের ঝুঁকি ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে যে জুন থেকে আগস্টের মধ্যে মাঝারি থেকে শক্তিশালী এল নিনো ঘটনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ৮০ শতাংশ। এল নিনো হলো প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যাওয়ার প্রাকৃতিক ঘটনা, যা গোটা গ্রহে তাপপ্রবাহ, খরা ও বন্যার মতো চরম আবহাওয়া ঘটাতে পারে।
এই ঘটনা শুধু আবহাওয়া পরিবর্তনই নয়, স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। নিপাহ ভাইরাস আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত এমেরিটাস অধ্যাপক দাতুক ড. লাম সাই কিটের মতে, ১৯৯০-এর দশকে মালয়েশিয়ায় নিপাহ প্রাদুর্ভাবের পেছনে এল নিনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। খরা ও বন অগ্নিকাণ্ডে বাদুড়ের আবাসস্থল নষ্ট হলে তারা মানুষের কাছাকাছি চলে আসে, যা ভাইরাস সংক্রমণের পথ তৈরি করে।
উষ্ণতা ও আবহাওয়ার পরিবর্তন মশাসহ রোগবাহক পোকার বিস্তারকেও ত্বরান্বিত করে, যা ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়ায়। বিশেষজ্ঞরা জনস্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি জোরদারের পরামর্শ দিচ্ছেন। এল নিনোর প্রভাব বছরের শেষ পর্যন্ত থাকতে পারে।
তথ্য
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) জানিয়েছে, জুন থেকে আগস্টের মধ্যে এল নিনো শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ৮০%।
- এল নিনো প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বাড়ায়, যা গ্লোবাল তাপমাত্রা ও চরম আবহাওয়া ঘটায়।
- নিপাহ ভাইরাস আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত ড. লাম সাই কিট বলেছেন, ১৯৯০-এর দশকে মালয়েশিয়ায় নিপাহ প্রাদুর্ভাবে এল নিনো ভূমিকা রেখেছিল।
- খরা ও বন অগ্নিকাণ্ডে বাদুড়ের আবাস ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা মানুষের কাছাকাছি আসে, যা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
- উষ্ণতা ও আবহাওয়া পরিবর্তন মশা ও রোগবাহক পোকার বিস্তার বাড়ায়, যা ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি





