একটি মানচিত্রে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বৃষ্টির প্রবেশ ও এল নিনোর প্রভাব দেখানো হচ্ছে, সঙ্গে আবহাওয়া সংক্রান্ত চিহ্ন।
একটি মানচিত্রে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বৃষ্টির প্রবেশ ও এল নিনোর প্রভাব দেখানো হচ্ছে, সঙ্গে আবহাওয়া সংক্রান্ত চিহ্ন।

এল নিনোর প্রভাবে বর্ষার প্রবাহ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা, কৃষি ও জলাবশিষ্ট নিয়ে উদ্বেগ থাকা সহকর্মীর সঙ্গে প্রেক্ষাপট মিলিয়ে দেখার মতো।

এল নিনো কি কমাবে বর্ষার পরিমাণ? ঘটনার ধারা ও মূল তথ্য

২০২৬ সালের দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে কম হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। এর পিছনে এল নিনো ঘটনার প্রভাব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এল নিনো হল প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ জলরাশির ঘটনা যা বিশ্বব্যাপী আবহাওয়ার উপর প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে এশিয়ার মৌসুমি বৃষ্টিতে।

আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওডিশা ও ঝাড়খণ্ডের কিছু অংশে প্রবেশ করেছে। অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে ১৫ জুনের মধ্যে মহারাষ্ট্র, ছত্তীসগঢ়, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকের আরও বিস্তীর্ণ এলাকায় বর্ষা পৌঁছাবে।

তবে একইসঙ্গে দেশের একাধিক অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বিহার, ঝাড়খণ্ড, অসম ও মধ্যপ্রদেশসহ বিভিন্ন রাজ্যে রে অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কোথায় কতটা বৃষ্টি হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

তথ্য

  • আবহাওয়া দফতর সতর্ক করেছে যে ২০২৬ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের চেয়ে কম হতে পারে।
  • মৌসুমি বায়ু ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওডিশা ও ঝাড়খণ্ডের কিছু অংশে প্রবেশ করেছে।
  • বিহার, ঝাড়খণ্ড, অসম ও মধ্যপ্রদেশসহ একাধিক রাজ্যে রে অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
  • অনুকূল পরিস্থিতি বজায় থাকলে ১৫ জুনের মধ্যে মহারাষ্ট্র, ছত্তীসগঢ়, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটকে বর্ষা পৌঁছাবে।

Canto-র ভিজ্যুয়াল সংবাদ ব্যাখ্যা। প্রযোজনায় AI সহায়তা করতে পারে। সম্পাদনা নীতি